ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশে নাচের প্রশিক্ষণ দিয়ে দুবাইয়ে পাচার

বর্তমান প্রতিদিন bartoman pratidin
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২০২২ ডিসেম্বর ২৯, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি

বর্তমান প্রতিদিন ডেস্ক:

বাংলাদেশের অসংখ্য তরুণীকে ভালো বেতনে কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে নাচের প্রশিক্ষণ দিয়ে দুবাই পাঠানো হতো। দুবাই পৌঁছানোর পর হোটেল ও ড্যান্সবারে মেয়েদের অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হতো।  বাংলাদেশের বিভিন্ন নাচের ক্লাব বা সংগঠন থেকে কাজ দেওয়ার নামে তাদের প্রতিনিধিরা মেয়েদের দুবাই পাঠাতো। এ চক্রের ৩০ সদস্যের নাম এরইমধ্যে জবানবন্দিতে বলেছেন ৩ জন ভিকটিম ও ৪ জন আসামি।  তারা অধিকাংশ আসামির ঠিকানা প্রকাশ করতে পারেননি। দুবাইতে অবস্থানরত আসামিদের বিষয়ে তথ্য পাঠানোর জন্য একাধিক সংস্থায় চিঠি দেওয়া হলেও এখনও তদন্ত সংস্থা সিআইডি তথ্য পায়নি। তদন্ত সংস্থা জানায়, মামলার তদন্ত শেষে পর্যায়ে। শিগগির আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

২০২১ সালের ২ জুলাই মূলহোতা আজম খানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে লালবাগ থানায় একটি মামলা করেছেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মৃণাল কান্তি শাহ। এ মামলার অভিযোগ ও তদন্ত অগ্রগতি প্রতিবেদনে এসব কথা উল্লেখ করেছে তদন্ত সংস্থা সিআইডি। এ মামলায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগ আটক হয়ে কারাগারে ছিলেন। তিনি বর্তমানে জামিনে। ইভান ছাড়াও এ মামলায় আরও সাতজন আটক আছেন।

এ মামলা তদন্ত করছে সিআইডি। মামলার অগ্রগতির বিষয়ে ৩০ অক্টোবর আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক বারেক করিম হাওলাদার। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, মামলার তিনজন ভিকটিম ও চারজন আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তারা মোট ৩০ জনের মতো আসামির নাম উল্লেখ করেছেন। কিন্তু অধিকাংশ আসামির ঠিকানা প্রকাশ করতে পারেননি।

মামলার ঘটনার সাথে জড়িত দুবাইতে অবস্থানরত আসামিদের বিষয়ে তথ্যের জন্য একাধিক সংস্থায় চিঠি পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ভিকটিম ও আসামির আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে উল্লিখিত আসামিদের মধ্যে কয়েকজনের নাম ও ঠিকানা পাওয়া গেছে। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অন্য আসামিদের র্পূণ নাম ও ঠিকানা সংগ্রহের কার্যক্রম চলছে। মামলার তদন্তকালে তদন্তের সকল কার্যক্রম সমাপ্ত হলেও মামলার ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত দুবাইতে অবস্থানরত আসামিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং আসামি ও ভিকটিমদের জবানবন্দিতে উল্লেখিত আসামিদের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা সংগ্রহ মামলাটি তদন্তে দেরির কারণ। এ অবস্থায় মামলাটি তদন্তের অসমাপ্ত কার্যক্রম সমাপ্ত করে বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস সময় মঞ্জুরের আবেদন করছি। তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনটি আদালত মঞ্জুর করেন।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন


মন্তব্য করুন

Video