চলন্ত ট্রেনে ব্যথায় কাতর প্রসূতি, জন্ম দিলেন ছেলে শিশু
৯ ঘন্টা আগে শুক্রবার, এপ্রিল ৪, ২০২৫

পশ্চিমাঞ্চল
রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে আওতায় খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঈশ্বরদী জংশন অতিক্রম করা রাজশাহীগামী
আন্তনগর কপোতাক্ষ একপ্রেস ট্রেনের 'ঙ' নাম্বার বগিতে স্বর্ণা আক্তার (২০) নামে এক প্রসূতির
হঠাৎ প্রসব ব্যথা ওঠে। পথে পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে পৌঁছালেই ট্রেনের মধ্যেই একটি
ছেলে নবজাতকের জন্ম দেন ওই প্রসূতি।
আজ
সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১ টা ৪০ মিনিটে পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে ট্রেনে ভূমিষ্ঠ
হয় শিশুটি। বর্তমানে মা ও মেয়ে শিশুকে মেয়েকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া
হয়েছে।
ট্রেনে
সন্তান জন্মদানকারী প্রসূতি স্বর্ণা ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের
হুগরি পান্তাপাড়া গ্রামের ইয়াসিন আরাফাতের সহধর্মিণী।
আন্তঃনগর
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের কর্তব্যরত খুলনার ট্রেন পরিচালক (গার্ড) ইলিয়াস কবীর সেলিম
বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, সোমবার (৮ এপ্রিল) যথারীতি খুলনা থেকে রাজশাহীগামী আন্তনগর ৭০৫ নাম্বার কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস
ট্রেনটি সকালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসে। ট্রেনটি সকাল সোয়া নয়টার দিকে দর্শনা রেলস্টেশনে
পৌঁছালে ওই প্রসূতি নারী তার পরিবারসহ দর্শনা রেলস্টেশন থেকে 'ঙ' নাম্বার বগিতে ওঠে।
ট্রেনটি বেলা পৌনে ১১টার দিকে ভেরামারা রেলস্টেশনে এলে প্রসূতির প্রসব বেদনা ওঠে।
এ
সময় ওই ট্রেনের পরিচালক (গার্ড) তাপস কুমার আমাকে বিষয়টি অবগত করেছেন। যে, 'ঙ' নাম্বার
বগিতে এক প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠেছে। এ সময় আমি মাইকিং করে ট্রেনে কোনো ডাক্তার আছে
কিনা? ঘোষণা করলে খুলনা-রাজশাহী রুটের আলমডাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে ওঠা রাজশাহী অভিমুখে
যাওয়া ট্রেন যাত্রী ঢাকাস্থ বেসরকারি হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোছাম্মৎ
নাজনীন আক্তার দ্রুত এসে ' ঙ' নাম্বার বগিতে এসে পরিচয় দেন, তিনি ডাক্তার।
এদিকে
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের সময় ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে এলে একটি
ছেলে শিশু ভূমিষ্ঠ হয়।
ওই
ট্রেনের যাত্রী, নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোছাম্মৎ নাজনীন আক্তার বলেন, আমি
ট্রেনে আলমডাঙ্গা থেকে রাজশাহী যাচ্ছিলাম। মাইকিং শোনার পর আমি 'ঙ' বগিতে যাই। সেখানে
কাপড় টাঙিয়ে ৩ সিটের একটি চেয়ারে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়। জন্ম নেওয়া বাচ্চাটি নরমাল ডেলিভারিতে
বেশ সুস্থভাবেই জন্ম হয়েছে। তাই কোনো সমস্যা হয়নি। বর্তমানে মা ও শিশু সুস্থ আছে।
পাকশী
বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ জানান, ট্রেনটি রাজশাহী
স্টেশনে পৌঁছানোর পর রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তা নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ আছে।
পশ্চিমাঞ্চল
রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে আওতায় খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঈশ্বরদী জংশন অতিক্রম করা রাজশাহীগামী
আন্তনগর কপোতাক্ষ একপ্রেস ট্রেনের 'ঙ' নাম্বার বগিতে স্বর্ণা আক্তার (২০) নামে এক প্রসূতির
হঠাৎ প্রসব ব্যথা ওঠে। পথে পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে পৌঁছালেই ট্রেনের মধ্যেই একটি
ছেলে নবজাতকের জন্ম দেন ওই প্রসূতি।
আজ
সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১ টা ৪০ মিনিটে পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে ট্রেনে ভূমিষ্ঠ
হয় শিশুটি। বর্তমানে মা ও মেয়ে শিশুকে মেয়েকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া
হয়েছে।
ট্রেনে
সন্তান জন্মদানকারী প্রসূতি স্বর্ণা ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের
হুগরি পান্তাপাড়া গ্রামের ইয়াসিন আরাফাতের সহধর্মিণী।
আন্তঃনগর
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের কর্তব্যরত খুলনার ট্রেন পরিচালক (গার্ড) ইলিয়াস কবীর সেলিম
বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, সোমবার (৮ এপ্রিল) যথারীতি খুলনা থেকে রাজশাহীগামী আন্তনগর ৭০৫ নাম্বার কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস
ট্রেনটি সকালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসে। ট্রেনটি সকাল সোয়া নয়টার দিকে দর্শনা রেলস্টেশনে
পৌঁছালে ওই প্রসূতি নারী তার পরিবারসহ দর্শনা রেলস্টেশন থেকে 'ঙ' নাম্বার বগিতে ওঠে।
ট্রেনটি বেলা পৌনে ১১টার দিকে ভেরামারা রেলস্টেশনে এলে প্রসূতির প্রসব বেদনা ওঠে।
এ
সময় ওই ট্রেনের পরিচালক (গার্ড) তাপস কুমার আমাকে বিষয়টি অবগত করেছেন। যে, 'ঙ' নাম্বার
বগিতে এক প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠেছে। এ সময় আমি মাইকিং করে ট্রেনে কোনো ডাক্তার আছে
কিনা? ঘোষণা করলে খুলনা-রাজশাহী রুটের আলমডাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে ওঠা রাজশাহী অভিমুখে
যাওয়া ট্রেন যাত্রী ঢাকাস্থ বেসরকারি হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোছাম্মৎ
নাজনীন আক্তার দ্রুত এসে ' ঙ' নাম্বার বগিতে এসে পরিচয় দেন, তিনি ডাক্তার।
এদিকে
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের সময় ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে এলে একটি
ছেলে শিশু ভূমিষ্ঠ হয়।
ওই
ট্রেনের যাত্রী, নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোছাম্মৎ নাজনীন আক্তার বলেন, আমি
ট্রেনে আলমডাঙ্গা থেকে রাজশাহী যাচ্ছিলাম। মাইকিং শোনার পর আমি 'ঙ' বগিতে যাই। সেখানে
কাপড় টাঙিয়ে ৩ সিটের একটি চেয়ারে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়। জন্ম নেওয়া বাচ্চাটি নরমাল ডেলিভারিতে
বেশ সুস্থভাবেই জন্ম হয়েছে। তাই কোনো সমস্যা হয়নি। বর্তমানে মা ও শিশু সুস্থ আছে।
পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ জানান, ট্রেনটি রাজশাহী স্টেশনে পৌঁছানোর পর রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তা নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ আছে।
