সৌদি আরবসহ ৭ দেশে পুনরায় ভোটার নিবন্ধন শুরু : পোস্টাল ব্যালট
৭ মিনিট আগে রবিবার, নভেম্বর ৩০, ২০২৫
ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পোস্টাল ভোট বিডি
মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সৌদি আরবসহ ৭ দেশে প্রবাসী ভোটারদের নিবন্ধন কার্যক্রম পুনরায়
চালু করা হয়েছে।
আজ
রবিবার ( ৩০ নভেম্বর ) ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
মো. রুহুল আমিন মল্লিক বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি
জানান, পোস্টাল ভোট বিডি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন, কুয়েত ও মালয়েশিয়ায় প্রবাসী ভোটারদের
নিবন্ধন কার্যক্রম পুনরায় আজ বিকাল সোয়া ৩টা হতে চালু করা হয়েছে।'
তিনি
বলেন, ডাকযোগে পোস্টাল ব্যালট পেতে হলে প্রবাসীদের
স্ব স্ব দেশের সঠিক ঠিকানা প্রদান করতে হবে, প্রয়োজনে বন্ধু/আত্মীয়ের ঠিকানা অথবা নিকটস্থ
সুপরিচিত কোন প্রতিষ্ঠান/ভবনের ঠিকানা ব্যবহার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং ওসিভি ও এসডিআই প্রকল্পের
টিম লিডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সালীম আহমাদ খান সাংবাদিকদের জানান, সৌদি আরবসহ
সাতটি দেশের প্রবাসী ভোটাররা সঠিকভাবে ঠিকানা ইনপুট দিতে পারছেন না। ব্যালট পেপার পৌঁছাতে
হলে ঠিকানা অবশ্যই ইংরেজিতে এবং পূর্ণ পোস্ট কোডসহ দেওয়া আবশ্যক। অনেকেই ম্যান্ডেটরি
ফিল্ডে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছিলেন। তাই নিবন্ধন প্রক্রিয়া অস্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা
হয়েছে।
তারা
জানান, প্রবাসী ভোটাররা যাতে দ্রুত নিবন্ধন করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আমরা
অ্যাপ পুনরায় চালু করার চেষ্টা করছি। নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হবে কি না-এ প্রশ্নের জবাবে
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে ২১ দিনের সময় যথেষ্ট। ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন
চলবে। একজন ভোটারও যাতে বাদ না পড়ে, সেজন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। এরপর ব্যালট পেপার
প্রিন্টিং ও ডাক বিভাগে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
ইসির
তথ্যানুযায়ী, রবিবার বিকেল পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত
পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে ৯৫ হাজার ৪৫০ জন প্রবাসী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রথমবারের মতো বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা
পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। নিবন্ধন ও ঠিকানা নিশ্চিত হলে প্রত্যেক
প্রবাসীর ব্যালট বাংলাদেশে পৌঁছে যাবে, যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ
পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।