মাকে মনে পড়ে

Bartoman Protidin

৮ দিন আগে রবিবার, জুলাই ২১, ২০২৪


#

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। ঢাকা পোস্ট এবারের মা দিবসে মায়ের স্মৃতিচারণে কিছু লেখার আহবান জানিয়েছে। সেই লেখা যদি কর্তৃপক্ষের ভালো লেগে যায় তাহলে লেখাটি হয়তো এই নির্ধারিত সংবাদমাধ্যমের ফিচার বিভাগে ছাপানোর কথা। এমন ভাবনা থেকে যে কেউ জন্মদাত্রী মাকে নিয়ে দুই লাইন লিখতে চাইবে কিন্তু কারো কারো পক্ষে এটা বেশ কঠিন। বিশেষ করে যে সন্তানের মা খুব সহসাই নিরবে কাউকে না বলে চলে গেছে দূর নক্ষত্রে ভিড়ে।

এক শোকাভিভূত অভিজ্ঞতা থেকে মাকে স্মরণ করছি। স্মরণ করছি বিনম্র শ্রদ্ধার সঙ্গে কারণ মা একজন সন্তানের জন্য কত বড় আর্শীবাদ সেটা সদ্য মা হারানো সন্তানের থেকে আর কে ভালো জানবে?

জন্মের পর থেকে শুরু করে শৈশব কৈশোর এবং যৌবনের প্রতিটি পর্যায়ে মা জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মায়ের হাতে ভর দিয়ে পদচারণা শুরু, মায়ের চোখে পৃথিবী দেখা, গল্প শোনা, এলোমেলোভাবে কলম ধরে প্রথম কিছু একটা লিখতে চেষ্টা করা, আবার কখনো একটু ভয় পেয়ে মুরগির ছানার মতো বুকের মধ্যে লুকিয়ে পড়া, খানিক বাদে বের হয়ে আবার আকাশ দেখা, এমন অসংখ্য স্মৃতিতে জর্জরিত হয়ে তবেই তো একজন সন্তান বিকশিত হয়। আর এভাবেই মায়ের ছায়াতলে আমরা দিন দিন বড় হয় আর আমাদের মায়েরা ছোট হতে থাকে। মা নিজের সমস্ত কিছু বিসর্জন দিয়ে তার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য, কল্যাণের জন্য ত্যাগের এক মহিমান্বিত উদাহরণ রচনা করে যায় প্রতিনিয়ত।

সন্তান মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে বেরিয়ে পড়ে সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে। আর এজন্যই বোধহয় মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্কই একমাত্র স্বার্থহীন সম্পর্ক। তাই তো পৃথিবীর সব ধর্মেই মায়ের মর্যাদাকে অনেক উঁচুতে রাখা হয়েছে। ধর্ম, বর্ণ জাতি, গোষ্ঠী, সর্বত্রই মায়ের মর্যাদা সবার উপরে। এমনকী স্রষ্টার পক্ষ থেকেও কঠোর সতর্কবার্তা রয়েছে মায়ের মর্যাদার বিষয়ে। 

পৃথিবীতে মা বেঁচে থাকাটা সন্তানের জন্য যে কতোটা সাহসের, কতোটা অনুপ্রেরণার সেটা বোধহয় মাকে হারানোর পরেই বেশি অনুভব হয়। মা হচ্ছেন একটা সন্তানের কাছে এমন একটি ব্যাংক, যেখান থেকে যত খুশি ঋন নেয়া যায় কিন্তু সেই ঋন পরিশোধ না করলেও কোনো জেল-জরিমানা হয় না। 

এতো তাড়াতাড়ি মাকে হারিয়ে ফেলবো সেটা দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি। মাসে দুই-একবার করে মায়ের সঙ্গে দেখা হতো। মায়ের চোখে আমি ছিলাম ভীষণ অবাধ্য, রোগা, না খেয়ে খেয়ে শুকিয়ে যাচ্ছি ইত্যাদি। ডায়াবেটিসের কারণে মা চোখে কম দেখতো অথচ সন্তানের চোখের নিচে কালো দাগ, বড় বড় চুল, কিংবা গলার নিচের হাড় এসব আর কেউ না দেখলেও কেবল মা-ই দেখতে পেতেন। ভালো-মন্দ কিছু খাবার নিয়ে পেছনে পেছনে এ ঘর থেকে ওই ঘরে যাওয়া, মায়ের এমন অসংখ্য ঘটনা প্রতিনিয়ত দাগ কেটে যাচ্ছে বুকের গভীরে। আল্লাহর কাছে আকুল আবেদন তিনি যেন মাকে তার জান্নাতের ছায়ায় আশ্রয় দেন। 

global fast coder
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
#

গণভবনে ফুলেল ভালোবাসায় সিক্ত শেখ হাসিনা

#

২৮ অক্টোবর সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীরা পার পাবে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

#

জনগণের আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী : প্রধানমন্ত্রী

#

সংসদে বাজেট উপস্থাপন প্রত্যক্ষ করেছেন রাষ্ট্রপতি

#

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

#

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ২৩০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

#

বাজারে মজুদ-নজরদারি ঠেকাতে ডিসিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী

#

মাদকসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১০

#

বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতি শ্রদ্ধা জানালেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা

#

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

সর্বশেষ

#

যুব সমাজকে মাছ উৎপাদনে নজর দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

#

কোটা নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

#

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

#

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

#

ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

#

দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেবে চীন: প্রধানমন্ত্রী

#

খেলাধুলায় সুস্বাস্থ্য-প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে ওঠে: প্রধানমন্ত্রী

#

চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার

#

কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে : ওবায়দুল কাদের

#

চীন সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

Link copied