মাকে মনে পড়ে

Bartoman Protidin

২৪ দিন আগে রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১, ২০২৬


#

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। ঢাকা পোস্ট এবারের মা দিবসে মায়ের স্মৃতিচারণে কিছু লেখার আহবান জানিয়েছে। সেই লেখা যদি কর্তৃপক্ষের ভালো লেগে যায় তাহলে লেখাটি হয়তো এই নির্ধারিত সংবাদমাধ্যমের ফিচার বিভাগে ছাপানোর কথা। এমন ভাবনা থেকে যে কেউ জন্মদাত্রী মাকে নিয়ে দুই লাইন লিখতে চাইবে কিন্তু কারো কারো পক্ষে এটা বেশ কঠিন। বিশেষ করে যে সন্তানের মা খুব সহসাই নিরবে কাউকে না বলে চলে গেছে দূর নক্ষত্রে ভিড়ে।

এক শোকাভিভূত অভিজ্ঞতা থেকে মাকে স্মরণ করছি। স্মরণ করছি বিনম্র শ্রদ্ধার সঙ্গে কারণ মা একজন সন্তানের জন্য কত বড় আর্শীবাদ সেটা সদ্য মা হারানো সন্তানের থেকে আর কে ভালো জানবে?

জন্মের পর থেকে শুরু করে শৈশব কৈশোর এবং যৌবনের প্রতিটি পর্যায়ে মা জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মায়ের হাতে ভর দিয়ে পদচারণা শুরু, মায়ের চোখে পৃথিবী দেখা, গল্প শোনা, এলোমেলোভাবে কলম ধরে প্রথম কিছু একটা লিখতে চেষ্টা করা, আবার কখনো একটু ভয় পেয়ে মুরগির ছানার মতো বুকের মধ্যে লুকিয়ে পড়া, খানিক বাদে বের হয়ে আবার আকাশ দেখা, এমন অসংখ্য স্মৃতিতে জর্জরিত হয়ে তবেই তো একজন সন্তান বিকশিত হয়। আর এভাবেই মায়ের ছায়াতলে আমরা দিন দিন বড় হয় আর আমাদের মায়েরা ছোট হতে থাকে। মা নিজের সমস্ত কিছু বিসর্জন দিয়ে তার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য, কল্যাণের জন্য ত্যাগের এক মহিমান্বিত উদাহরণ রচনা করে যায় প্রতিনিয়ত।

সন্তান মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে বেরিয়ে পড়ে সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে। আর এজন্যই বোধহয় মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্কই একমাত্র স্বার্থহীন সম্পর্ক। তাই তো পৃথিবীর সব ধর্মেই মায়ের মর্যাদাকে অনেক উঁচুতে রাখা হয়েছে। ধর্ম, বর্ণ জাতি, গোষ্ঠী, সর্বত্রই মায়ের মর্যাদা সবার উপরে। এমনকী স্রষ্টার পক্ষ থেকেও কঠোর সতর্কবার্তা রয়েছে মায়ের মর্যাদার বিষয়ে। 

পৃথিবীতে মা বেঁচে থাকাটা সন্তানের জন্য যে কতোটা সাহসের, কতোটা অনুপ্রেরণার সেটা বোধহয় মাকে হারানোর পরেই বেশি অনুভব হয়। মা হচ্ছেন একটা সন্তানের কাছে এমন একটি ব্যাংক, যেখান থেকে যত খুশি ঋন নেয়া যায় কিন্তু সেই ঋন পরিশোধ না করলেও কোনো জেল-জরিমানা হয় না। 

এতো তাড়াতাড়ি মাকে হারিয়ে ফেলবো সেটা দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি। মাসে দুই-একবার করে মায়ের সঙ্গে দেখা হতো। মায়ের চোখে আমি ছিলাম ভীষণ অবাধ্য, রোগা, না খেয়ে খেয়ে শুকিয়ে যাচ্ছি ইত্যাদি। ডায়াবেটিসের কারণে মা চোখে কম দেখতো অথচ সন্তানের চোখের নিচে কালো দাগ, বড় বড় চুল, কিংবা গলার নিচের হাড় এসব আর কেউ না দেখলেও কেবল মা-ই দেখতে পেতেন। ভালো-মন্দ কিছু খাবার নিয়ে পেছনে পেছনে এ ঘর থেকে ওই ঘরে যাওয়া, মায়ের এমন অসংখ্য ঘটনা প্রতিনিয়ত দাগ কেটে যাচ্ছে বুকের গভীরে। আল্লাহর কাছে আকুল আবেদন তিনি যেন মাকে তার জান্নাতের ছায়ায় আশ্রয় দেন। 

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
#

বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশে ফিরবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

#

ভূমিকম্পের প্রস্তুতি নিয়ে জরুরি বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

#

তরুণ বিপ্লবীদের আঁকা গ্রাফিতি দেখলেন প্রধান উপদেষ্টা

#

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেবেন ড. ইউনূস

#

বাংলাদেশ সংস্কারে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক

#

সামাজিক ব্যবসা মাধ্যমে ‘একটি সুন্দর ও উন্নত বিশ্ব’ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা

#

ক্যান্সার সচেতনতা বাড়াতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

#

বাজার অস্থিতিশীলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হবে সরকার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

#

অন্তর্বর্তী সরকারে নতুন করে যুক্ত হওয়া ৫ উপদেষ্টার শপথ আগামীকাল

#

বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ৪ বিশিষ্ট নারী

সর্বশেষ

#

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

#

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ

#

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান একমাত্র প্রত্যাবাসনেই: প্রধান উপদেষ্টা

#

প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বাড়িয়ে বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

#

সরকারি কর্মকর্তাদের ৫ বছরের বেশি চাকরি করা উচিত না : প্রধান উপদেষ্টা

#

তিন পার্বত্য জেলায় ই-লার্নিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা

#

নীলফামারীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হবে

#

নির্বাচনে নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

#

একনেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন

#

সাফজয়ী নারী ফুটসাল দলকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

Link copied