বৃষ্টি খাতুনের মরদেহ অবশেষে হস্তান্তর

Bortoman Protidin

২২ দিন আগে শনিবার, নভেম্বর ২৯, ২০২৫


#

অবশেষে রাজধানীর বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় নিহত বৃষ্টি খাতুনের (অভিশ্রুতি শাস্ত্রী) মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার ১১ দিন পর সোমবার (১১ মার্চ) বিকালে বৃষ্টির বাবা সবুজ শেখ মেয়ের মরদেহ বুঝে নেন। ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে হিন্দু-মুসলিম পরিচয়ের বিতর্ক নিরসনের পর অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) বৃষ্টির মরদেহ হস্তান্তর করে।

মরদেহ গ্রহণ করে বৃষ্টির বাবা সবুজ শেখ আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমিই তার বাবা। আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া।’

তিনি বলেন, ‘মৃতদেহ পেয়েছি। তাকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাবো। সেখানেই ইসলাম ধর্মমতে জানাজা দিয়ে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বনগ্রাম পরিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হবে।’

হিন্দু মুসলিম নিয়ে যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছিল, সে বিষয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে মৃতের বাবা আরও বলেন, ‘হিন্দুদের অনুষ্ঠানে গেলেই কি মানুষ হিন্দু হয়ে যায়? অনেকেই হিন্দুদের অনুষ্ঠানে যান। তাই বলেকেই হিন্দু হয়ে গেছেন?’

ঢাকা মেট্রো সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর সাংবাদিকদের বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ডিএনএ প্রোফাইলের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত হয় রবিবার। সোমবার আড়াইটার দিকে মরদেহটি তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নামে বিভিন্ন স্থানে চাকরি করেছেন মেয়েটি। তাই তারা দাবি করতেই পারেন। পরে তারা বুঝতে পেরেছেন এবং মরদেহটি তারা বাবা-মায়ের কাছেই হস্তান্তর করার জন্য থানায় লিখিত দিয়েছেন। সে সময় রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।’

বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে বিকাল ৩টার দিকে বৃষ্টির বাবা অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বৃষ্টিসহ ৪৬ জন মারা যান। বৃষ্টি তার বন্ধু ও সহকর্মীদের কাছে অভিশ্রুতি নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি মূলত মুসলিম পরিবারের সন্তান। কিন্তু অভিশ্রুতি নামে নিজেকে পরিচয় দেওয়ার কারণে তার লাশ হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। মৃত্যুর পর রমনা মন্দিরের পুরোহিত বৃষ্টিকে সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং সবুজ শেখ ও বিউটি খাতুন নিজের সন্তান বলে দাবি করেন। এরপর মরদেহ শনাক্ত করতে নেওয়া হয় ডিএনএ নমুনা। নমুনা নেওয়ার ১১ দিন পর বৃষ্টির ডিএনএ’র সঙ্গে তার বাবা-মায়ের ডিএনএ মিলেছে।

বৃষ্টির গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বনগ্রাম গ্রামের প‌শ্চিমপাড়ায়। কলেজের সার্টিফিকেট, জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রে তার নাম বৃষ্টি খাতুন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
#

সালথায় শিশুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

#

মাদারীপুরের শতাধিক যুবক ইতালির পথে সাগরে ডুবেছেন

#

বাংলাদেশের মেরিনা টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায়

#

ড. ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেবে চীনের বিশ্ববিদ্যালয়

#

কড়াইল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার

#

২৪ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষাও স্থগিত: শিক্ষা উপদেষ্টা

#

প্রধান উপদেষ্টাকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদী

#

ট্রাফিকের কাজ করা শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট দেওয়ার ঘোষণা

#

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ২০ শতাংশ শুল্ক চুক্তি সরকারের বড় সাফল্য : প্রেস সচিব

#

হাসিনা–কামালকে ফেরাতে ভারতের কাছে পাঠানোর চিঠি প্রস্তুত হচ্ছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

সর্বশেষ

#

খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

#

কামরাঙ্গীরচরের কোম্পানি ঘাটে ব্রীজ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে- স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা

#

ভবন নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা, নতুন আইন অনুমোদন দিল উপদেষ্টা পরিষদ

#

দেশনেত্রী বেগম জিয়ার সুস্থতা দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়- হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন

#

ভোটের মাঠে তিন স্তরে নিরাপত্তা , সেনাবাহিনী থাকবে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ

#

দ্বিতীয় ধাপে আরো ১৫৮ ইউএনওকে বদলি করে প্রজ্ঞাপন

#

গণতন্ত্র ফেরাতে নির্বাচনের বিকল্প নেই : আমান উল্লাহ আমান

#

কুমিল্লায় বিএনপি’র ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার ও হাজী ইয়াছিনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার লিফলেট বিতরণ ও মিছিল

#

ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেলেন ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তা

#

লটারিতে একযোগে ৬৪ জেলা পুলিশের এসপি বদলি

Link copied