স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁকর্মী মিলন গ্রেপ্তার
১ ঘন্টা আগে সোমবার, জানুয়ারী ১২, ২০২৬
রাজধানীর
দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলিকে হত্যার মামলার প্রধান আসামি হোটেল
কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় থেকে তাকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
আজ
সোমবার ( ১২ জানুয়ারি ) সকালে এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব। এর আগে শনিবার দুপুরে
দক্ষিণ বনশ্রীর ‘প্রীতম ভিলা’ নামের একটি বাসায় এই হত্যাকাণ্ডের
ঘটনা ঘটে।
নিহত
লিলি (১৭) স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার
বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় গতকাল রবিবার সকালে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে
হোটেল কর্মচারীর মিলনকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
খিলগাঁও
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, শনিবার বিকেলের
দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল যায় পুলিশ।
লিলি
আক্তারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। লিলির গলায় ধারালো
অস্ত্রের আঘাত ছিল। ঠিক কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা জানাতে পারেননি তিনি।
নিহতের
বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে।
গত
বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে
বাসায় আসা নিয়ে লিলি তাঁর সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে
বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি
আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই।
যাওয়ার
সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু
সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা।
ভেতরে সবকিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো
কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে
এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি
তাঁর গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’