২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমান-বাবরসহ সব আসামি খালাস

Bortoman Protidin

১২ দিন আগে বুধবার, ফেব্রুয়ারী ১১, ২০২৬


#

 ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ দণ্ডিত সব আসামি খালাস পেয়েছেন।

রায়ে এ মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে বিচারিক আদালতের রায় অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে এ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশ বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।

এর আগে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ ২১ নভেম্বর আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ শেষ করেন। সেদিন আদালত মামলা দুটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন। আজ রায় ঘোষণা করা হল।

২০১৮ সালে বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। এটি ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। কোনো ফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে।

পাশাপাশি দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের জেল আপিল, নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সে অনুযায়ী আসামি পক্ষ আপিল করে।

গত ৩১ অক্টোবর বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ২০১৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২০০১-২০০৬ আমলের বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম ও আসামি শেখ আবদুস সালাম ২০২১ সালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপির নেতা হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইনসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে ১১ জনকে দণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। এরপর ওই বছরই হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স আসে। পাশাপাশি দণ্ডিত কারাবন্দিরা আপিল দায়ের করেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ-সংক্রান্ত মামলা দুটির (হত্যা ও বিস্ফোরক) নতুন করে তদন্ত শুরু করে। ২০০৮ সালে ২২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মামলার অধিকতর তদন্ত হয়। এরপর তারেক রহমানসহ ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলার (হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা) রায় দেন। রায়ের পর একই বছর বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌঁছে। পেপার বুক প্রস্তুত করাসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে মামলায় আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি সম্পন্ন হলো। এখন হাইকোর্ট রায়ের অপেক্ষায়। এ মামলায় বিএনপি'র শীর্ষ নেতৃত্বকে সম্পৃক্ত করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে বারবার দাবি করে আসছিল দলটি।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
#

রুমিন ফারহানাকে আরেকটি শোকজ

#

কুমিল্লায় তিন মামলায় অব্যাহতি পেলেন খালেদা জিয়া

#

ঠান্ডা কুয়াশায় কাবু কুড়িগ্রামের মানুষ, ৬ দিন দেখা নেই সূর্যের

#

ভুয়া মামলার হয়রানি রোধে ফৌজদারি কার্যবিধিতে নতুন বিধি সংযোজন হয়েছে: আইন উপদেষ্টা

#

চট্টগ্রামগামী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চালক আহত

#

পরিচয় না দিয়ে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

#

উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করে কিম বললেন, গরুর গাড়ি ছাগল দিয়ে টানা যায় না

#

বৃষ্টি খাতুনের মরদেহ অবশেষে হস্তান্তর

#

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাস্কেটবল প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

#

সংবর্ধনা শেষে সরাসরি মায়ের কাছে যাবেন তারেক রহমান: রিজভী

সর্বশেষ

#

ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগে নাগরিকদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার তাগিদ

#

জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাপানি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

#

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ‘আনফ্রেল’ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সাক্ষাৎ

#

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি

#

ভোট পর্যবেক্ষণে ঢাকায় ৩৯৪ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ বিদেশি সাংবাদিক

#

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ

#

নির্বাসন থেকে ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান : রয়টার্স

#

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি

#

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে পুকুরে লুকানো থেকে ৩টি বিদেশি পিস্তল সহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার

#

নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা রুখতে কঠোর বার্তা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

Link copied