২ লাখ ২১ হাজার কেজি স্বর্ণ উত্তোলন করল সৌদি আরব

Bortoman Protidin

১৭ দিন আগে শুক্রবার, মার্চ ৬, ২০২৬


#

সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি সৌদি অ্যারাবিয়ান মাইনিং কোম্পানি (মাআদেন) দেশে চারটি স্থানে নতুন করে মোট ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজি) স্বর্ণসম্পদের সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশীয় খনিজ মজুত সম্প্রসারণ এবং বিশ্বমানের স্বর্ণ উৎপাদক হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার কৌশল আরও জোরালো হলো বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সংবাদ গলফ নিউজের

মাআদেন জানায়, লক্ষ্যভিত্তিক খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে শুরুতে ৯০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণসম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। বার্ষিক প্রতিবেদনসংক্রান্ত মানদণ্ড অনুযায়ী সমন্বয়ের পর চূড়ান্তভাবে নতুন সম্পদ যোগ হয়েছে ৭৮ লাখ আউন্স।

এই সম্প্রসারণের আওতায় রয়েছে মানসুরাহমাসারাহ, উরুক ২০/২১, উম্ম আস সালাম এবং নতুন আবিষ্কৃত ওয়াদি আল জাওয়ান। এর মধ্যে মানসুরাহমাসারাহ প্রকল্পে এক বছরে সবচেয়ে বেশি, ৩০ লাখ আউন্স স্বর্ণসম্পদ যুক্ত হয়েছে। উরুক ২০/২১ ও উম্ম আস সালাম থেকে এসেছে ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স, আর ওয়াদি আল জাওয়ানে প্রথমবারের মতো ৩০ লাখ ৮০ হাজার আউন্স স্বর্ণসম্পদের হিসাব যোগ হয়েছে।

মাআদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বব উইল্ট বলেন, এসব ফলাফল সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ উন্মোচনে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের সফলতা প্রমাণ করে। তিনি বলেন, ‘এই ফলাফল স্পষ্ট করে দিয়েছে যে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল বাস্তব পর্যায়ে কাজ করছে। এ কারণেই আমরা সৌদি আরবের স্বর্ণসম্পদে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি।তিনি আরও বলেন, নতুন স্বর্ণসম্পদ সংযোজন মাআদেনের প্রকল্প পাইপলাইনের ধারাবাহিকতা ও সক্ষমতা তুলে ধরেছে। ‘চারটি এলাকায় খননের মাধ্যমে ৭০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণ যোগ হওয়া আমাদের স্বর্ণ পোর্টফোলিওর বিশালতা ও সম্ভাবনা দেখায়। এটি ভবিষ্যতের নগদ প্রবাহ নিশ্চিত করতেও সহায়ক হবে,’ বলেন তিনি।

২০২৬ সালের অনুসন্ধান কর্মসূচিতে মাআদেন মূলত সেন্ট্রাল অ্যারাবিয়ান গোল্ড রিজিয়নে গুরুত্ব দিয়েছে। সেখানে উন্নত পর্যায়ের খনন কার্যক্রমে নতুন খনিজ স্তর এবং সম্ভাব্য খনি সম্প্রসারণের ইঙ্গিত মিলেছে। ঐতিহাসিক মাহদ স্বর্ণখনির আশপাশেও খননের মাধ্যমে খনির আয়ু বাড়ানোর সম্ভাবনা চিহ্নিত করা হয়েছে।

বব উইল্ট বলেন, ‘সাম্প্রতিক ফলাফল কোম্পানির বহুমুখীকরণ পরিকল্পনাকেও জোরালো করেছে। স্বর্ণের মতোই তামা ও নিকেলের প্রাথমিক ফলাফল আশাব্যঞ্জক। আরবিয়ান শিল্ড অঞ্চলে বড় পরিসরে খনিজ উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে।

শাইবান ও জাবাল আল ওয়াকিল এলাকায় পাওয়া তথ্য সৌদি আরবজুড়ে বহুপণ্যভিত্তিক শক্তিশালী পোর্টফোলিও গড়ার সম্ভাবনা দেখাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মাআদেনের প্রধান প্রকল্প মানসুরাহমাসারাহে বর্তমানে আনুমানিক ১১ কোটি ৬০ লাখ টন আকরে প্রতি টনে ২ দশমিক ৮ গ্রাম স্বর্ণ রয়েছে। যার মোট পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ আউন্স। সাম্প্রতিক খনন

কার্যক্রমে এক বছরে নিট ৩০ লাখ আউন্স স্বর্ণসম্পদ যোগ হয়েছে, যদিও মোট সংযোজন ছিল ৪২ লাখ আউন্স।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, মানসুরাহ ও মাসারাহ, উভয় খনিতেই গভীরে এখনও খনিজ স্তর উন্মুক্ত রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় আবিষ্কারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। ২০২৬ সাল পর্যন্ত খনন কার্যক্রম চলবে এবং পর্যায়ক্রমে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হবে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
#

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন, অধিনায়ককে ফোন

#

ঈদযাত্রার ষষ্ঠ দিনে ট্রেনে বিশৃঙ্খলা, ছাদে বাড়ি ফিরছে মানুষ

#

পদ্মশ্রী সম্মান পাচ্ছেন গোবর গোমূত্র গবেষক

#

নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারিতেই হবে, একদিন আগেও নয়, পরেও নয়: প্রধান উপদেষ্টা

#

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া

#

মাকে মারধর করায় ছেলেকে মাটিতে অর্ধেক পুঁতে রাখলেন স্থানীয়রা

#

গ্রেপ্তারের পর অসুস্থতা, হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসামির মৃত্যু

#

তারেক রহমানের একান্ত সচিব আব্দুস সাত্তার, প্রেসসচিব সালেহ শিবলী

#

এলপিজির দাম কমল ৪৯ টাকা, আজ থেকেই কার্যকর

#

স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিএনপিতে যোগ দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

Link copied