ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, মুচলেকায় মুক্ত দুই কনটেন্ট ক্রিয়েটার
১ ঘন্টা আগে বুধবার, মে ২০, ২০২৬
যশোরে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে দুই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটারকে
পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে
এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার যশোর শহরের কদমতলা এলাকার একটি ছাত্রাবাস থেকে এক যুবকের
মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের রেশমা বেগম ওরফে তাসনিম ফুয়াদ এবং ভেকুটিয়া
গ্রামের ডালিয়া খাতুন তাদের ফেসবুক আইডিতে দাবি করেন, মরদেহটি পুলিশ লাইনের একটি মেস
থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ভুল তথ্যভিত্তিক এ পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে
পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
বিষয়টি
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এলে মঙ্গলবার সকালে ওই দুই নারীকে পুলিশ সুপারের
কার্যালয়ে ডাকা হয়। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও
কথা বলেন পুলিশ সুপার।
কোতোয়ালি
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, অভিযুক্তরা প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকার
একটি অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও যশোরের ঘটনা বলে প্রচার করা হয়েছিল। এছাড়া মনিরামপুরের একটি
পারিবারিক ঘটনাকে ডাকাতির ঘটনা হিসেবে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন তাসনিম ফুয়াদ।
তিনি
আরও জানান, ডালিয়া খাতুনের বিরুদ্ধেও আগে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ ভুল তথ্য প্রচারের
ঘটনায় তাদের সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট না করার শর্তে
মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে আইনগত ব্যবস্থা
নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।