অর্ধশত পরিবার ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে

Bortoman Protidin

১৫ দিন আগে শুক্রবার, এপ্রিল ৪, ২০২৫


#

চলনবিল এলাকার কয়েকটি গ্রামে প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবারের সন্ধান মিলেছে, যাদের একমাত্র জীবিকার বাহক ঘোড়ার গাড়ি। কালক্রমে এ এলাকায় ঘোড়া ও ঘোড়ার গাড়ির সংখ্যা কমে গেছে। তবে, এখনো কিছু মানুষ শখের বশে ঘোড়া পালন করেন। আবার কিছু মানুষ জীবিকা নির্বাহের তাগিদে ঘোড়া পালন করেন। ঘোড়ার গাড়ি চালিয়েই পরিবারের ব্যয়ভার মেটাচ্ছেন প্রায় অর্ধশত পরিবার। 

উপজেলার লাঙ্গলমোড়া গ্রামের কালু মণ্ডল জানান, তিন বছর আগে সত্তর হাজার টাকায় ঘোড়া এবং ঘোড়ার গাড়িটি কেনেন তিনি। সেই থেকে এই ঘোড়া ও ঘোড়ার গাড়িই তার পরিবারের জীবন-জীবিকার উৎস। মাঘ-ফাল্গুন মাসে কৃষকের জমি থেকে সরিষা বহনের কাজ করেন। চৈত্র-বৈশাখ মাসে রসুন, গম, খেশারি, মশুর, সরিষাসহ অন্যান্য ফসল বহন করেন। জৈষ্ঠ-আষাঢ় মাসে বোরো ধান এবং কার্তিক অগ্রহায়ণ মাসে বিল থেকে আমন ধান বহনের কাজ করেন। বিভিন্ন হাট-বাজারে মানুষের পণ্য আনা-নেওয়ার কাজ করেন। যখন এলাকায় কাজ থাকে না তখন ঘোড়া গাড়ি নিয়ে চলে যান অন্য জেলায়।

ছাইকোলা ফকিরপাড়া গ্রামের শাহজাহান প্রামাণিকের ছেলে রিফিল হোসেন জানান, আট বছর ধরে ঘোড়ার গাড়িতে ভর বহন করে আসছেন তিনি। এ কাজ করে স্ত্রী ও এক মেয়েসহ তার তিনজনের পরিবারটি চালিয়ে আসছেন তিনি। জমাজমি নেই। কাজ পেলে প্রতিদিন গড়ে হাজার খানেক টাকা পান। ছোলা, ধানের গুঁড়াসহ ঘোড়ার অন্যান্য খাবারের পেছনে ব্যয় করতে হয় প্রায় দুইশ টাকা। ফসলের মৌসুমে প্রতিদিন আটশ টাকার মতো উপার্জন থাকে তার।

চরনবীন গ্রামের ইবাদ আলী মোল্লা জানান, কয়েক বছর ধরে ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন তিনি। ছেলে কৃষকের কাজ করে কিছু উপার্জন করে। এলাকায় কাজ না থাকলে বগুড়া, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জের প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে ভর বহনের কাজ করেন। ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে সাতজনের পরিবারের ব্যয়ভার বহন করছেন তিনি। তিনি আরও জানান, চাটমোহরের বরদানগর গ্রামে ঘোড়ার গাড়ির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। উপজেলার প্রায় ত্রিশজন ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।

এ ব্যাপারে চাটমোহর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম জানান, এক সময় চাটমোহরের অনেকেই ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। অনেক শৌখিন মানুষ ঘোড়া পালন করতেন। ঘোড়ায় চড়ে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করতেন। ঘোড়দৌড়ে অংশ নিতেন। এলাকার মানুষ ঘোড়দৌড় উপভোগ করত। এ ঐতিহ্য এখন বিলুপ্তির পথে।

উল্লেখ্য, প্রায় ৪ হাজার খ্রিষ্টপূর্বাব্দের দিকে দ্রুত গতির চতুষ্পদ প্রাণী ঘোড়াকে পোষ মানিয়ে মানুষ গৃহে পালন শুরু করেন। এ প্রাণী তার প্রভুকে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সক্ষম। এক সময় যুদ্ধক্ষেত্রে ঘোড়ার ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়েছে। ঘোড়দৌড় মানুষের মনোরঞ্জনে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে।


global fast coder
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
#

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

#

আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারবেন: সিইসি

#

সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তথ্য

#

তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ সাতকানিয়ায় গ্রেপ্তার-৩

#

বাজার নিয়ন্ত্রণে সব জেলায় টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে : উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

#

‘পিএসসি-জেএসসি পরীক্ষা’ ফেরার কথা গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

#

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

#

দুই দশকের মধ্যে নতুন বছরেও কক্সবাজারে পর্যটক সর্বনিম্ন

#

ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ২৫ মার্চ থেকে

#

বাংলাদেশের মেরিনা টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায়

সর্বশেষ

#

আগামীকাল ব্যাংককে অধ্যাপক ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক

#

প্রধান উপদেষ্টার সাথে সেনাপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

#

কুমিল্লা মুরাদনগরে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

#

প্রধান উপদেষ্টার কাছে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট হস্তান্তর

#

জানমাল রক্ষায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেনাবাহিনীর দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ

#

সরকার গণমাধ্যমের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে : তথ্য উপদেষ্টা

#

জাতীয়ভাবে প্রথমবারের মতো বাংলাসহ সব জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের উদ্যোগ

#

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

#

বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে পুলিশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম : প্রধান উপদেষ্টা

#

ড. ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেবে চীনের বিশ্ববিদ্যালয়

Link copied