রমজানের আগেই এলপিজি সংকট কাটার আশা উপদেষ্টার
১ ঘন্টা আগে বুধবার, জানুয়ারী ২১, ২০২৬
আগামী
ফেব্রুয়ারি মাসে রোজা শুরু হবে। এর আগেই তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংকটের
সমস্যার সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ
ফাওজুল কবির খান।
বুধবার
(২১ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত
উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
ফাওজুল
কবির খান বলেন, ইরান থেকে আসা এলপিজির জাহাজগুলোর ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার
কারণে দেশের বাজারে এলপিজির সংকট হয়েছে।
এজন্য
বিকল্প দেশ থেকে এলপিজি আনা হচ্ছে। রমজানের আগেই সমস্যার সমাধান মিলবে।
জ্বালানি
উপদেষ্টা বলেন, যারা এলপিজি আমদানি করেন তাদের সবার সঙ্গে বসেছিলাম। কোম্পানিসহ বড়
আমদানিকারকদের সঙ্গে বসেছিলাম।
বিঘ্নটা
হল কেন? সমস্যার কারণ হচ্ছে আগে আমাদের দেশে ইরান থেকে এলপিজি আসতো। যে জাহাজগুলো ইরানিয়ান
এলপিজি বহন করতো সেগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এজন্যই সমস্যাটা হয়েছে।
এখন তারা অলটারনেটিভ সোর্স থেকে আনছে।
এলজিপি
যারা বিক্রি করে তারা রিসিট দেয় না। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, মোবাইল
কোর্ট করে আমরা চেষ্টা করছি যতটা কমানো যায়। আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে যতটা করা সম্ভব
সব চেষ্টা করা হচ্ছে গ্রাহক যাতে এলপিজি কম দামে পায়। এলপিজি যেহেতু বেসরকারি খাত,
এখানে সরকারি কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিআরসি) মাধ্যমে
এটার মূল্য সমন্বয় হয়।
তিনি
আরও বলেন, এলপিজির আমদানি আগে থেকে মনিটরিং করা হতো না। এখন চিন্তা করছি; বিআরসি ও
জ্বালানি বিভাগের মধ্যে একটা সিস্টেম ডেভেলপ করছি যাতে করে আগাম আমদানির পরিস্থিতি
বুঝতে পারি।