রাজশাহীতে নির্বাচন ঘিরে জাতীয় পার্টিকে হুমকির অভিযোগ

Bortoman Protidin

১৫ দিন আগে শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬


#

জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের সহযোগী দল আখ্যা দিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এ দলটির অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী জেলার সাবেক সমন্বয়ক মো. নাহিদুল ইসলাম সাজু।

তিনি বলেন, জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহীতে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে এখানে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৫০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান চলাকালে এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় রাজশাহী-০৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. আফজাল হোসেনের প্রতীক বরাদ্দের প্রতিবাদ জানান নাহিদুল ইসলাম সাজু।

প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রাজশাহীতে যদি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো সহযোগী বা দোসরকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাহলে জেলা প্রশাসক কার্যালয় ঘেরাও করা হবে এবং রাজশাহীতে কোনো জাতীয় নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।

তার এ বক্তব্যের পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার তাকে লিখিত অভিযোগ দাখিল করার পরামর্শ দেন। তিনি জানান, অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর নাহিদুল ইসলাম সাজু জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং তাদের নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, যা গভীর উদ্বেগজনক। এসব ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা পালন করেছে।

এতে আরও বলা হয়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে স্বৈরাচার ও তার দোসরদের রাজনৈতিকভাবে প্রত্যাখ্যান করা জরুরি। সংবিধান, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিসমূহ হলো

১. আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও দলের মনোনয়নপত্র ও প্রতীক বরাদ্দ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

২. যেসব প্রার্থী অতীতে অবৈধ নির্বাচন, ভোট কারচুপি ও দমনপীড়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের প্রার্থিতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৩. নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও সাহসী ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

সর্বশেষ

#

কুমিল্লায় কাঁচাবাজার পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী

#

দেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই- কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশীদ

#

সরকার সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

#

তেলসংকটের আশঙ্কা নেই, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে : জ্বালানিমন্ত্রী

#

কারো নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বদনাম করা বড় পাপ : মির্জা আব্বাস

#

আমাদের সংসদ অধিবেশন দেখে জাতি অনেকটা আশ্বস্ত হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

#

‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া

#

বিদেশে যাওয়া-আসার সময় রাষ্ট্রাচার সীমিত করলেন প্রধানমন্ত্রী

#

জাকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

#

দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Link copied